মঙ্গল অভিযানে ইলন মাস্ককে টেক্কা দিয়ে নাসার চুক্তি করল

মঙ্গল অভিযানে ইলন মাস্ককে টেক্কা দিয়ে নাসার চুক্তি করল

Hossain Hawlader
লেখকঃ Hossain Hawlader
2 মিনিট পড়তে লাগবে

মঙ্গল গ্রহে মানববসতি গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন স্পেসএক্স, টেসলা এবং এক্স (সাবেক টুইটার)-এর মালিক ইলন মাস্ক। ভবিষ্যতে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে তিনি বিভিন্ন মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ করে চলেছেন। তবে নাসার পরবর্তী মঙ্গল মিশনের মহাকাশযান তৈরির প্রতিযোগিতায় এবার স্পেসএক্সকে পেছনে ফেলেছে এরিক শ্মিটের প্রতিষ্ঠান আপেক্ষিকতার স্থান। প্রতিষ্ঠানটি নাসার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, রিলেটিভিটি স্পেসের তৈরি মহাকাশযান নাসার বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করে মঙ্গল গ্রহে যাবে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করা হবে এবং মঙ্গলের পরিবেশ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হবে। নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে মহাকাশযানটি মঙ্গলের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হবে। সময়সীমা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় রিলেটিভিটি স্পেসকে দ্রুত মহাকাশযান ও উৎক্ষেপণ রকেট তৈরির কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান জানিয়েছেন, নাসার উন্নত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির সঙ্গে বাণিজ্যিক খাতের উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ যুক্ত হলে আরও বেশি বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব মিশন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণার তথ্যও দ্রুত পাওয়া যাবে।নাসা জানিয়েছে, এই মিশনে মঙ্গল গ্রহে চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র পাঠানো হবে। যন্ত্রগুলো কক্ষপথ থেকে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণ করবে এবং ধূলিকণা, বাতাস ও তাপমাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে মঙ্গল গ্রহের প্রথম দৈনিক ও বৈশ্বিক আবহাওয়ার চিত্র তৈরি করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এসব তথ্য ভবিষ্যতে মঙ্গলে ল্যান্ডার অবতরণ এবং মানব মিশন পরিচালনাকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্রঃ https://techcrunch.com/

শেয়ার করুন
লেখকঃHossain Hawlader
অনুসরণ করুন
আমি হোসাইন হাওলাদার। আমি mehrab360.com এ একজন সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি। আমি সরকারি ব্রজলাল কলেজ, খুলনা এর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। ইমেইল: [email protected]
মন্তব্য করুন