অনলাইনে নিজে নিজের ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন! ধাপে ধাপে জেনে নিন যেভাবে নিজের ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন। ভোটার হওয়ার সময় কিছু তথ্য ভুল থাকার কারণে আপনার প্রয়োজনীয় কাজ করতে বাধা হচ্ছে। তাই নিজের ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন অনলাইনে।

বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র এখন অনেকটাই ডিজিটাল হয়ে গেছে। ফলে নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখ বা অন্যান্য তথ্য ভুল থাকলে ঘরে বসেই অনলাইনে সংশোধনের আবেদন করা যায়। এই গাইডে সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো।
কেন NID সংশোধন করবেন?
ভোটার আইডি কার্ডে ভুল থাকলে ব্যাংক, পাসপোর্ট, চাকরি বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে সমস্যা হতে পারে। তাই দ্রুত সংশোধন করা জরুরি।
ধাপ ১: NID ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
প্রথমে Bangladesh Election Commission এর অফিসিয়াল NID সেবার ওয়েবসাইটে যান👉 https://services.nidw.gov.bd
আপনার যদি জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে এবং অনলাইন অ্যাকাউন্ট না করে থাকেন তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর অথবা ফর্ম নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়ে রেজিস্টার করতে পারবেন। এরপরে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করতে পারবেন।
প্রোফাইল ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ
অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করার পরে লগ ইন এ ক্লিক করে লগইন করবেন তারপরে ড্যাশবোর্ড দেখতে পারবেন। তারপরে দেখবেন বিস্তারিত প্রোফাইল নামে একটি বাটন লেখা আছে তার উপর ক্লিক করবেন। দেখবেন এডিট লেখা আছে। এখানে ক্লিক করতে হয়।
চার্জ
আপনি যদি জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করাতে চান বা পুনরায় পেতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমান ফি প্রদান করতে হবে। সংশোধন বা পুনরায় পেতে ফি এর পরিমান এই লিঙ্ক
https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/fees
এর মাধ্যমে জানা যাবে।ফি প্রদানের নূন্যতম ৩০ মিনিট পর আপনি সংশোধন বা হারানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফি নিম্নোক্ত ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদান করা যাবে।
আরো পড়ুন: অনলাইনে জিডি করার নিয়ম জানুন
নিজে নিজেপ্রোফাইল ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ চার্জের হিসাব
আপনার ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধনের ধরন অনুযায়ী নিজে হিসাব করতে পারবেন কত টাকা খরচ হতে পারে। কম্পিউটারের দোকানে গেলে অতিরিক্ত খরচ চাইতে পারে, তাই নিজে নিজে যখন করছেন, তখন চার্জ হিসাব নিজে নিজে দেখতে পারবেন। নিচের ছবির মতো

ফি পরিশোধ
ফি নিম্নোক্ত ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদান করা যাবে।
- ১. বিকাশ লিমিটেড।
- ২. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং রকেট মোবাইল ব্যাংকিং।
- ৩. ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং টি-ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং।
- ৪. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড।
- ৫. ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড এবং ওকে ওয়ালেট মোবাইল ব্যাংকিং।
- ৬. ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।
- ৭. ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেড এবং উপায় মোবাইল ব্যাংকিং।
- ৮. সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড।
- ৯. বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড।